অপরাধ

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ দিয়ে মানহানির চেষ্টা

  প্রতিনিধি ৩০ মার্চ ২০২৬ , ৭:৫৭:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ

IMG 20260330 WA0005

নিউজ ডেস্ক: ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম রাসেল এবং স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা ও বিতর্ক। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে এলাকাজুড়ে চলছে নানা আলোচনা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পেশায় প্লাস্টিক ব্যবসায়ী রাসেল ও তার সহযোগী সাদ্দাম হোসেন খোলামোড়া আদর্শ গলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিকের বাড়িতে গিয়ে ঈদের আগে ও পরে দুই দফায় চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় রফিক বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান-এর কাছে অভিযোগ করেন।

তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা জানেন না। বরং অনেকেই রাসেলের সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে তাকে পরোপকারী ও ভালো মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের দাবি, অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন হতে পারে। রাসেলকে হেও প্রতিপন্ন করতে বহিরাগতদের দিয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়ান অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হতে মোহাম্মদ রফিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এ সময় তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন এবং আশেপাশের লোকজন জড়ো করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। যদিও জানা গেছে, তিনি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শরিফুল ইসলাম রাসেল বলেন, “আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।” তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে স্পষ্ট প্রমাণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয়দের বক্তব্য, অভিযোগকারীর নীরবতা এবং অভিযুক্তদের অস্বীকৃতির মধ্যে প্রকৃত সত্য এখনও অস্পষ্ট। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে আসল ঘটনা কতটা প্রকাশ পায়।

  • এন/টি#

আরও খবর

Sponsered content