কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার হযরতপুর ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার।
অভিযোগকারী দিলরুবা সুলতানা জানান, হযরতপুর মৌজায় তাদের মালিকানাধীন ১১ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। ওই জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলমান রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৭ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মজিবুর রহমান, জাকির হোসেন, আবির, সুমন ঢালীসহ কয়েকজন বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জমির ওপর নির্মিত দোকানঘর ও স্থাপনা ভেঙে ফেলেন। গভীর রাতের সুযোগে পরিকল্পিতভাবে এ ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দিলরুবা সুলতানার স্বামী একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি মারা যান। এরপর থেকে দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে তিনি কষ্টে জীবনযাপন করছেন। তাদের দাবি, ভাঙচুরের ঘটনায় দোকানঘর, নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
দিলরুবা সুলতানার মেয়ে এ্যানী অভিযোগ করে বলেন, জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বরিবার দিবাগত গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দোকানঘরগুলোই ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। এগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। কে বা কারা ভাঙচুর করেছে সে বিষয়ে তার কোনো জানা নেই।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এন/টি#
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সুপন রায়, নির্বাহী সম্পাদক: বাবলী খানম, বার্তা সম্পাদক: তাহমিদ চৌধুরী অরন্য, বিশ্বাস মাল্টিমিডিয়ার পক্ষে শিমু আক্তার (রুনা নূর) কর্তৃক ৮৫/১, ৫ম তলা, পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ই-মেইল: editornewstoday.bd@gmail.com, বার্তা বিভাগ: +8809611457132, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য: অ্যাডভোকেট পলাশ হোসেন ও অ্যাডভোকেট এম এইচ এ রাসেল।